আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষ প্রতিষ্ঠান কানাইদীঘি দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠ দীর্ঘপথ অতিক্রম করে চলতে চলতে ৭৫ বছরে পদার্পন করতে চলেছে  আগামী ৮ এ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে। এই দীর্ঘ পথ চলার পথের আমরা যেমন হারিয়েছি অনেক কিছু, তেমনি আবার নতুন করেকরে পেট্যাচুইও , বিভিন্ন দিক দিয়ে সাফল্যয়ের জন্য মাতৃসম এই বিদ্যালয় ২০১৪ সালে নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার পেয়েছে। ২০১৬ সালে রাজ্য সার্কের শিক্ষা দপ্তর কতৃক পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সেরা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে “শিশু মিত্র বিদ্যালয়” পুরস্কার লাভ করেছে। ২০১৭ রাষ্ট্রীয় সমগ্র শিক্ষা মিশন কতৃক ” বেস্ট পারফর্মিং স্কুল অ্যাওয়ার্ড”  পেয়েছে । আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার এ প্রজেক্টেরর মাধ্যমে সমস্ত শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদানের ব্যাবস্থা আছে। কিন্তু তা যথোপযুক্ত নয় কারণ আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা অনেক তাই এর পরিসর ও পরিকাঠামো বাড়ালে অধিক সংখক ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবে , আমাদের বিদ্যালয়ে শিশু সংসদ ও কিশোরে সংসদ সবুজ বাহিনী ও বিবেক বাহিনী রয়েছে । তারা প্রত্যেকে একে ওপরের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করে, তেমনি নৈতিক শিক্ষা , পরিবেশ সচেতনতা ও সামাজিক শিক্ষা প্রচারেও অংশগ্রহণ করে । আমরা ফেলে দেওয়া জিনিস যেমন পোস্ট কার্ড, ঠোঙা, ডিমের খোলা, কার্বন পেপার  প্রভৃতি কে কাজে লাগিয়ে  কোনো কাজ করতে পারি তাহলে ছাত্র ছাত্রীরা ফেলে দেওয়া জিনিসের ওপর আগ্রহ দেখাবে। কোনো বস্তু যে ফেলে দেওয়ার নয় তা ছাত্র ছাত্রীরা বুঝতে পারবে । এর ফলে পিছিয়ে পড়া ছাত্র ছাত্রীরা আকৃষ্ট হবে । এর মধ্যে দিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের সৃজনশীল মানসিকতার বিকাশ ও অন্যান্য প্রতিভার প্রকাশ ঘটে পারে। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের হাতে কলমে কাজ করে তাদের উৎসাহ দিতে হবে । এতে অনেকের ভবিষ্যৎ চলার পথ সুগম হতে পারে। আমাদের বিদ্যালয়ে ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিবাহের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে  এর পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় তার জন্য উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেওয়া । এছাড়া আমাদের লক্ষ্য  উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নত পরিকাঠামো । শিক্ষক হলো মানুষ গড়ার কারিগর। আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ হলে বিদ্যালয়ের এই সুন্দর মুহুতে আমাদের এই শিক্ষা   প্রতিষ্ঠান  কে গৌরবের চরম শিখরে উন্নীত করতে পারবো ।

“সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়ে”।